প্রথম পৃষ্ঠার বাকী খবর

ভারতের কাছ থেকে লাভবান

অনেক সুযোগ আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বনানীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসামের উচ্চপদস্থ সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জি এম কাদের। বাংলাদেশ-ভারতের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, সীমান্তরেখা বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশের মানুষে-মানুষে কোনো বিভেদ সৃষ্টি করতে পারেনি। দুই দেশের মানুষের মাঝে বন্ধুত্বের দৃঢ়তা পারস্পরিক অধিকার সংরক্ষণে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। কখনোই বন্ধু বন্ধুকে এবং ভাই ভাইকে কোনো অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে লাখ লাখ বাংলাদেশীকে আশ্রয় দিয়ে ভারত অকৃত্রিম বন্ধুত্বের পরিচয় দিয়েছে। তাই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্ব বিরাজ করছে। অনুষ্ঠানে ভূপেন হাজারিকার ভাই সমর হাজারিকাসহ অন্য শিল্পীরা ভূপেন হাজারিকার গান পরিবেশন করেন। আসামের প্রখ্যাত এ সঙ্গীতকারকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে রাঙ্গা বলেন, ভূপেন হাজারিকার গান এদেশের মানুষের মুখে চিরকাল থাকবে। তার গান অধিকার আদায় ও মানবিক সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগাবে। সার্ক কালচারাল সোসাইটির চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় ও এস.এম. ফয়সল চিশতী, বিশিষ্ট লেখক পদ্মশ্রী সূর্য হাজারিকা, সর্বভারতীয় কংগ্রেসের আসাম রাজ্যের সেμেটারি রমেন রব ঠাকুর, সাংবাদিক দেবজিৎ ভূঁইয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভৌমেন ভারতীয়া, সঙ্গীত তারকা দীক্ষু শর্মা প্রমুখ।


নির্যাতন-নিপীড়ন ’৭১ সালের

মানুষকে আসামি করেছে। হাজারের বেশি মানুষকে পঙ্গু করে দিয়েছে। সবশেষ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে ক্ষমতা দখল করেছে। আজকে দেশে যে নির্যাতন-নিপীড়ন, তা অনেক সময় মনে হয় ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনকে ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘তরিকুল ইসলাম : জীবন ও সংগ্রাম‘ শীর্ষক স্মরণসভায় সভাপতির বক্তেব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সরকার সচেতনভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছে। তার একটি মাত্রই উদ্দেশ্য, দেশকে তারা অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের যে প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে সেটা সঠিক নয়। তারা বলছে, বাংলাদেশের প্রতিটি অর্থনীতির স্তম্ভ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার লুট, টাকা পাচার- এক লাখ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ব্যাংকের মাধ্যমে, যা দিয়ে পাঁচটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যেত। বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে বিচারব্যবস্থা ধ্বংস, প্রশাসন ধ্বংস, অন্যদিকে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। মানুষের সব অধিকারকে হরণ করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া এসবের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছিলেন বলে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ওপর দেশের মানুষের আস্থা রয়েছে বলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা যদি তরিকুল ইসলাম ও সাদেক হোসেন খোকার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চাই তাহলে অবশ্যই খালেদা জিয়াকে আমাদের মুক্ত করতে হবে। বেগম জিয়াকে মুক্তি, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। আসুন সে লক্ষ্যে আমরা সবাই আত্মত্যাগ করি। বিএনপি নেতা শামীমুর রহমান শামীম ও মীর রবিউল ইসলাম লাভলুর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকতউল্লা বুলু, নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব- উন-নবী খান সোহেল, তরিকুল ইসলামের স্ত্রী যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বক্তব্য দেন।


সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে

দেওয়া অক্টোবরের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যের বরাতে তিনি এ কথা জানান। বিবিএস’র দাবি, সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে মাছ, শাক-সবজি ও ফল জাতীয় পণ্যের মূল্য কমেছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মানড়বান। তিনি বলেন, পেঁয়াজ যন্ত্রণা (মূল্য বৃদ্ধি) থাকা সত্ত্বেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, তবে সবজি, মাছ ও ফলমূলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমেছে। বিবিএস’র হালনাগাদ তথ্যে জানানো হয়, ২০১৯ সালের অক্টোবরে পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অক্টোবরে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এই খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৭৩০ শতাংশ। বিবিএস’র তথ্যানুযায়ী, বছরওয়ারি পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মে- তে ডাল, চিনি, মুড়ি, মাছ-মাংস, ব্রয়লার মুরগি, ফল, তামাক, দুধজাতীয় পণ্য এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। এ ছাড়া মাসওয়ারি ডিম, শাক-সবজি ও মসলা জাতীয় পণ্যের দামও বেড়েছে। এদিকে অক্টোবরে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থলী, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ সেবাখাতের মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। অক্টোবরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশে, (সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৪০ শতাংশ)। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ (সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ)। অন্যদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে এটি ছিল ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। শহরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৩১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ১০ শতাংশ। আর খাদ্য বহিভূর্ত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ, যা এর আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ।


যুদ্ধবিমান ব্যবহারে যত্নশীল হতে

যন্ত্রপাতি অত্যন্ত মূল্যবান। এগুলোর সংরক্ষণে আরো যতড়বশীল ও মনযোগী হতে হবে। দুর্ঘটনা কমিয়ে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে ছয়টি স্কোয়াড্রনকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) দেওয়া হয় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা অপরিহার্য। এজন্য আমাদের আকাশসীমার নিরাপত্তাও অনেক বেশি জরুরি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের বিমান বাহিনী এ দায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করতে সক্ষম হবে। বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পেশাগত দক্ষতা অর্জন আপনাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ দক্ষতা একদিকে যেমন আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে, তেমনি সংগঠনের জন্যও বয়ে আনে সুনাম ও মর্যাদা। তাই আপনাদের গড়ে উঠতে হবে দক্ষ এবং আদর্শ বিমানসেনা হিসেবে। এজন্য প্রয়োজন উনড়বত প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রম। মনে রাখবেন, যে কোনো লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন অদম্য স্পৃহা ও নিরবচ্ছিনড়ব প্রচেষ্টা। আর এর সফল পরিসমাপ্তি হচ্ছে অর্জন। তাই বিমান বাহিনীর অর্জনকে নতুন উচ্চতায় নিতে আপনাদেরকে নিরলস প্রয়াস চালাতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি স্বাধীন জাতির আকাশসীমাকে নিরাপদ ও শত্রুমুক্ত রাখাই সে দেশের বিমান বাহিনীর মূল দায়িত্ব। ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ এ শ্লোগান বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের আকাশসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।


তা ছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণে বিমান বাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান। ফলশ্রুতিতে বিমান বাহিনী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। জাঁতি আপনাদের এ অবদানকে সব সময় স্মরণ করবে। এর আগে বিমান বাহিনীর পোশাক পরিহিত আবদুল হামিদ খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন। বিমান বাহিনীর যুদ্ধ ও পরিবহন বিমান ফ্লাইং ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর কুচকাওয়াজ মাঠে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত এবং বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল সাঈদ হোসেন। সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি তার সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এনং পরিদর্শন বইয়ে সই করেন।

ভারতে বাংলাদেশি বেসরকারি

বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি বেসরকারি চ্যানেলগুলো দেখা যায় না। সেখানে বাধাটা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে ক্যাবল অপারেটরদের পক্ষ থেকে উচ্চ ফি দাবি করেন। এই বিষয়টি আলোচনা করেছি। ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভাদকার বিষয়টি গভীরভাবে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভাদকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, শ্রী প্রকাশ জাভাদকার মূলত একটি জলবায়ুর অনুষ্ঠানে এসেছেন। তিনি ভারতের শুধু তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নন, জলবায়ু মন্ত্রীও। সাক্ষাতে আমরা অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনারা জানেন যে, ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপড়ে একটি ছবি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। সেটির অগ্রগতির সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। এ ছাড়া ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি আছে তারা আমাদের মুক্তি যুদ্ধের ওপড়ে ছবি বানানো বা প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা করেছি। তিনি বলেন, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বিশেষ করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উনড়বয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) অধীনে বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি নির্মাণ করছি, সেটা কিভাবে আরও সুন্দর বৃহত্তর পরিসরে করা যায় সেজন্য তাদের সহযোগিতা চেয়েছি। তারা আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়েও আলোচনা হয়েছি। বাংলাদেশের বিটিভি সমগ্রভারতে ফ্রি ডিসের মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছে। তবে আমাদের বেসরকারি চ্যানেলগুলো পশ্চিম বাংলায় দেখা যায় না। তিনি বলেন, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বেসরকারি টিভিগুলো সম্প্রচারে কোনো বিধি নিষেধ নেই। সে কারণে ত্রিপুরাতে সেগুলো দেখা যায়। আমি নিজে দেখেছি। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় দেখা যায় না। সেখানে বাধাটা হচ্ছে পশ্চিম বাংলার ক্যাবল অপারেটরদের পক্ষ থেকে উচ্চ ফি দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। মন্ত্রী এ বিষয়টি গভীরভাবে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। যাতে আমাদের বেসরকারি চ্যানেলগুলোও সেখানে দেখা যায়। ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভাদকার বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেমন সস্কৃতি, রাজনৈতিক, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ টেলিভিশন নিয়ে। এরমধ্যে মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন ভারতে সম্প্রচার শুরু হয়েছে। তাই বাংলাদেশেও ভারতের টেলিভিশন ডিডি ইন্ডিয়া রিলে করে দেখানো শুরু করেছে। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দু’টি চলচ্চিত্র বানাচ্ছি। আমি সবাইকে ভারতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমাদের চলচ্চিত্র দিন দিন উনড়বতি করছি। পুনেতে চলচ্চিত্র শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ ভালো আরর্কাইভ রয়েছে। দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।


কৃষক লীগের ১০ম জাতীয়ে

উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনে নতুন গ্কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন করা হবে। ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির কার্যμমে কৃষি ও কৃষকের উনড়বয়নে কাজ করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ১৫ আগস্টে শহীদ কৃষক নেতা আবদুর রব সেরনিয়াবাত। কৃষক লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ১৯ জুলাই। সম্মেলনের মাধ্যমে মোতাহার হোসেন মোল্লাকে সভাপতি ও শামসুল হক রেজাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে জানান কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখোওয়াত হোসেন সুইট। তিনি জানান, কৃষক লীগের জাতীয় সম্মেলনকে সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সম্মেলনকে ঘিরে এখন সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। মূলমঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে কৃষকের কাচারি ঘরের আদলে। তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে স্থানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাড়ি থেকে নেমে মঞ্চে আসবেন, সে প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে সবুজ ঘাসে। রাস্তার চারপাশে লাগানো হয়েছে বাঁশবাগান, ফলদি ও ঔষধি গাছ। মোটকথা, কৃষক লীগের সম্মেলনে কৃষকের বাড়িতে আসবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সেভাবেই সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।


সব ধরনের প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও

বাস্তবায়নের সময় সক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই এসব প্রকল্পের সুফল মিলবে। ফলে দেশ ও জাঁতি উপকৃত হবে। জনসেবামূলক কাজের উনড়বতি করতে হবে। এসব কাজে জবাবদিহিতা জোরদার করাও জরুরি। দারিদ্র্য হ্রাস ত্বরান্বিত করতে ও টেকসই উনড়বয়ন অর্জনের জন্য শক্তিশালী আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আমাদের ব্যয় করা প্রতিটি ডলার যথাযথভাবে জবাবদিহি করা হয়েছে। একইভাবে জনসাধারণের ব্যয়ের ক্ষেত্রে আমাদের সবার নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব রয়েছে। এ অঞ্চলে আরও উনড়বত জনসাধারণের আর্থিক ব্যবস্থাপনা দরকার। সরকারি কার্যμমের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা উনড়বত করতে হবে। প্রকল্প ও সব ধরনের কাজে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি। চূড়ান্ত দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রেখে যাচ্ছে এডিবি। সংস্থাটি একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্ত, স্থিতিশীল এবং টেকসই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০১৮ সালে এটি ২১ দশমিট ৫ বিলিয়ন ডলার পরিমাণে নতুন ঋণ অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সংস্থাটি এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে।


এফবিআইয়’র সঙ্গে সমঝোতা

সৌজন্য সাক্ষাতে এলে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই সমঝোতা স্মারক সই হলে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এফবিআইয়ের দক্ষ ও চৌকস কর্মকর্তারা বাংলাদেশে এসে দুদকের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে দুদক হয়তো প্রশিক্ষকদের লোকাল হসপিটালিটির ব্যবস্থা করতে পারে। তদন্ত ও প্রসিকিউশনে অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসনদের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চায় কমিশন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি একটি গর্ভানেন্স ইস্যু। আমরা সমন্বিতভাবে সরকারি পরিষেবা ব্যবস্থাপনায় উনড়বয়নে চেষ্টা করছি। এ ক্ষেত্রে কমিশন বহুমাত্রিক কার্যμম পরিচালনা করছে। মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, অপরাধীদের গতিবিধি, দুর্নীতির ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিরোধে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় কমিশন। এ ক্ষেত্রে আপনাদের (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট) সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে উনড়বতমানের ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনে আপনারা সহযোগিতা করতে পারেন। প্রতিনিধি দলটি দুদক চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চায়- দুদকের ৩০ শতাংশ মামলায় খালাস পাওয়ার কারণ কী? দুর্বল তদন্ত, দুর্বল প্রসিকিউশন নাকি অন্য কিছু? যেটির জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আপনার ধারণা হয়তো সবগুলোই সত্য। তবে বর্তমানে কমিশন তদন্ত এবং প্রসিকিউশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের মামলায় সাজার হার একসময় মাত্র ২২ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশে উনড়বীত হয়েছে। কমিশন প্রায় দুই শতাধিক মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলার ১৬ টি মামলায় বিচারিক


আদালতে রায় হয়েছে। প্রতিটি মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে, যোগ করেন দুদক চেয়ারম্যান। প্রতিনিধি দলটির আরেক প্রশেড়বর জবাবে তিনি বলেন, কমিশন শুধু চুনোপুঁটিদের ধরছে না, রাঘব-বোয়ালদেরও ধরছে। অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নির্মাণ কাজ

নির্মাণকাজের ভিত্তিফলক উদ্বোধন করবেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার রেলওয়ের উনড়বয়নের জন্য বহুমুখী অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তার অন্যতম হলো বঙ্গবন্ধু সেতুর আরও অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে। মার্কিন প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের রেসিডেন্ট লিগ্যাল অ্যাডভাইসার এরিক ওপাঙ্গা, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের জাস্টিস অ্যাডভাইসার রুশানি মানসুর প্রমুখ। পাশে তিনশ গজ উজানে ডুয়েল গেজ ব্রিজ নির্মাণ করা। ইতোমধ্যে ব্রিজটির টেন্ডারিং প্রসেসসহ সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রধামন্ত্রীর দেয়া সময়ানুযায়ী মার্চে আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে ৭টি পয়েন্টে রেল যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। দুই দেশের রেল যোগাযোগের ফলে মালামাল পরিবহনের জন্য চুক্তি হয়েছে। মালবাহী কন্টেইনার ও ওয়াগন এসে যাতে মালামাল লোড-আনলোড করতে পারে সে লক্ষে আইসিটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। টার্মিনাল নির্মাণের জন্য দু’দেশের কর্মকর্তারা তিনটি স্থান নির্ধারণ করেছেন। এটি কোথায় করা যাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়া পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী পরে কড্ডার মোড় এলাকায় শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন ও সিরাজগঞ্জ শহরের রেলওয়ে কলোনি মহল্লার ইয়ার্ড ও রায়পুর ইয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে রেলওয়ে মহা-পরিচালক মো. শামছুজ্জামান, অতিরিক্ত মহা পরিচালক খন্দকার শহীদুল ইসলাম, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম আল ফাত্তাহ মাসুদুর রহমান, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ, পুলিশ সুপার টুটুল চμবর্তী, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ, বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য্য, অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, প্রচার সম্পাদক শামছুজ্জামান আলো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণাে

ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা রুটের বাস আটকে রাখেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত তারা প্রত্যাখ্যান করছেন। উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলনে থাকবেন। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয় বলেন, হল ও ক্যাম্পাস বন্ধের সিদ্ধান্ত আমরা মানি না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো বাস বাইরে যেতে পারবে না। এই উপাচার্যকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। এর আগে বেলা ১১টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষকশি ক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে জাবি শাখা ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হন। এর প্রেক্ষিতে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।


জিয়া ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের

মঙ্গলবার বিকেলে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাে ক হত্যা করতে চেয়েছিল। এই অশুভ শক্তি বাংলাদেশের উনড়বয়ন চায় না। এই শক্তি শেখ হাসিনার উপর হামলা করেছিল। সাদেক হোসেন খোকাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, সাদেক হোসেন খোকাকে কখনও গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি মেয়র হওয়ার পর বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। তিনি ক্যান্সার আμান্ত হয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্ব্যবরণ করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে সম্মান করি। বিএনপির এসব মিথ্যাচার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভা শেষে আগামী তিন বছরের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির ঘোষণা দেন নেতৃবৃন্দ।


খোকার মৃত্যুতে বিএনপির কর্মসূচি

সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। রিজভী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি, অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা গত সোমবার নিউইয়ার্কের ম্যানহ্যাটেনে মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। তার আত্মার মাগফেরত কামনা করছি। তিনি বলেন, আগামী ৭ নভেম্বর (আগামীকাল বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টা ১০মিনিটে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাদেক হোসেন খোকার লাশ এসে পৌছাবে। ওই দিন বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। একইদিন মরহুমের লাশ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। বাদ যোহর নয়াপল্ট দলীয় কার্যালয়ের সামনে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মরহুমের লাশ নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানে নামাজে জানাজা শেষে লাশ তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হবে। বাদ আছর মরহুমের বাসভবন থেকে লাশ ধুপখোলা মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানে নামাজে জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানের বাবা-মা’র কবরের পাশে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।


ফের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি

পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট হলেও এবার আরও ছয়জন যুক্ত করে ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জানান, ১৫ সদস্যের পলিটব্যুরোর কমিটিতে নতুন পাঁচজন যুক্ত হয়েছেন। পলিটব্যুরো সদস্য হিসেবে যুক্ত হওয়া নতুন পাঁচজন হলেন- জ্যোতি সরকার, নজরুল ইসলাম হাক্কানী, আলি আহমেদ এনামুল হক, নজরুল হক নিলু ও হাজী বশির উল্লাহ। দশম কংগ্রেস বর্জনের ঘোষণা দেওয়া পলিটব্যুরোর সদস্যসহ কেন্দ্রীয় কমিটির ছয় সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তারা যদি পুনরায় পার্টিতে ফিরতে চান তবে পার্টির সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পারবেন। কংগ্রেসে সর্বসম্মতভাবে আগামীতে যেকোনো ধরনের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ওয়ার্কার্স পার্টির নিজস্ব প্রতীক হাতুড়ি নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। সংবাদ সম্মেলনে কমরেড বাদশা আরও বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির নবম কংগ্রেসে কৌশলগত ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যেতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যতদিন অভিযান পরিচালনা করবেন আমরা ওয়ার্কার্স পার্টি ততদিন তার সঙ্গে থাকবো। সেক্ষেত্রে ওয়ার্কার্স পার্টি নিজস্ব রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তির উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক কার্যμম পরিচালিত হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অপরাপর বাম রাজনৈতিক দল যারা অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চা করে তাদের সঙ্গেও আমাদের ঐক্যের হাত বাড়িয়ে দেবো। একই সঙ্গে সামাজিক সংগঠনগুলোকে আমরা আহ্বান জানাবো অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করার।

আববার হত্যার প্রতিবাদে

হবে। এ সময় উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আ স ম আবদুর রব, মাহামুদুর রহমান মানড়বা, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী প্রমুখ। কর্মসূচির সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবেন গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. রেজা কিবরিয়া। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর হত্যা করা হয়। এর প্রতিবাদে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

২-৩ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম

এসব পেঁয়াজ আসলে ৬০-৭০ টাকায় হয়তো নেমে আসবে। দেশে পেঁয়াজের কোনো মজুদ সঙ্কট নেই নেই জানিয়ে তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম আর বাড়বে না। কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, সাতক্ষীরা, ঢাকাসহ যেসব স্থানে পেঁয়াজ আমদানি হয় সেখানকার জেলা প্রশাসন কাজ করছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং টিমও কাজ করছে। পাইকারি ও খুচরায় ডকুমেন্ট ছাড়া কোনো পেঁয়াজ বিμি করবে না বলে তারা অঙ্গীকার করেছেন। সেলিম হোসেন বলেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশি পেঁয়াজ উঠবে আর ভারতের পেঁয়াজও চলে আসবে। তখন দাম ৪০ টাকার নিচে নেমে যাবে। এ সময়ের মধ্যে যারা বড় ব্যবসা করতে চাইবে তারা ক্ষতির মুখে পড়বে। এর আগে সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, টেকনাফ ও কক্সবাজারের যেসব আমদানিকারকের কাছ থেকে তারা পেঁয়াজ কেনেন, তাদের সাথে আড়তদারদের পরিচয় নেই। মূলত ফড়িয়া বা এজেন্টের মাধ্যমেই তারা পেঁয়াজ কেনেন। আমদানিকারক ও এজেন্টদের বেঁধে দেওয়া বেশি দরে পেঁয়াজ কিনতে ও বিμি করতে তারা বাধ্য হচ্ছেন। সভায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “এখন পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে বলে ধারণা করছি। ৪২ টাকায় কিনে যদি ৯৫ টাকায় বিμি করে তাহলে কেজিতে ৫৩ টাকা বেশি। শুধু আমদানিকারকরাই এভাবে ১৫৯ কোটি নিয়ে যাচ্ছে। এরপর খুচরায় আসতে আসতে এ অঙ্ক প্রায় ২১০ কোটি টাকা। পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, তারা মূলত মোবাইলে এজেন্টেদের সঙ্গে কথা বলেই পেঁয়াজ নেন। তাদের কাছে পাকা কোনো কাগজ নেই। রোববার থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত খাতুনগঞ্জে ২০০ টনের মত পেঁয়াজ এসেছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজের আড়তদার মো. ইদ্রিচ বলেন, মিয়ানমারের ব্যবসা মাসখানেক ধরে চালু হয়েছে। ইমপোর্টারকে চিনি না। সিএন্ডএফকে ধরলে জানা যাবে। আমরা এজেন্ট বা কর্মচারীকে টাকা দিই। স্টকে ১৫০ টন ছিল, গতকাল (গত সোমবার) আসছে ৮-১০ ট্রাক। কয়েকদিন এগুলো বিμি করতে হবে। দুই-চারদিন পর থেকে খুচরায় ১০০ টাকায় যাতে আসে সে চেষ্টা করব। কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের বলে দেব ৮০-৮৫ টাকায় হলে মাল পাঠাও, না হলে খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ পাঠানোর দরকার নেই। দেশের অন্য বাজারেও যেন একই দামে বিμি হয় সেটা আপনারা দেখবেন। সভায় কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আপনারা কাগজ ছাড়া যে ব্যবসার কথা বলছেন সেটা তো তাহলে কালো ব্যবসা। এটা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসা হতে পারে না। এই যে ২০০ কোটি টাকার বেশি, এ টাকা কার পকেটে গেল? এই টাকা তো সাধারণ μেতার পকেট থেকে চলে গেল। এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সেলিম হোসেন ব্যবসায়ীদেরকে বলেন, কাগজ ছাড়া ব্যবসা করবেন না এটার কমিটমেন্ট দেন। টেকনাফের আমদানিকারক ও এজেন্টদের মধ্যে যারা কারসাজিতে আছেন তাদের তালিকা কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। সেখানকার ইউএনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আজ-কালের মধ্যে মজুদ পেঁয়াজ বিμি করুন। কাগজে যা আছে তার ভিত্তিতে বিμি করবেন। মোবাইল টিম যাবে। বিশেষ মনিটরিং টিম করা হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। পরশু থেকে বাজার স্থিতিশীল হবে এই কমিটমেন্ট দেন। কাগজও মনিটর করা হবে। যদি বানানো কাগজ দেন তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, আপনারা কাগজপত্র ছাড়া মোবাইলে ব্যবসা করেছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। কাগজের মাধ্যমে যখন ব্যবসা করা হবে তখন মনিটর করা যাবে, কত দামে কিনছেন। এরপর আড়তে থাকা পেঁয়াজ বিμি করতে চারদিন সময় চান ব্যবসায়ীরা। জবাবে ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি আপত্তি জানিয়ে বলেন, চারদিন সময় অনেক বেশি। বেশি দামে যে পেঁয়াজ কিনেছেন তা কালকের মধ্যে বিμি শেষ করবেন। পরশু থেকে দেখব কত দামে কিনছেন, ন্যায্য দামে বিμি করতে হবে। এডিসির নেতৃত্বে মনিটরি টিম করে দেওয়া হবে। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে অভিযান চলবে। এর আগে রোব ও গত সোমবার খাতুনগঞ্জে দুই দফা অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের মোট ১৬ জন আমদানিকারক, এজেন্ট, ব্রোকার ও বিμেতার সন্ধান পায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামে পাইকারি বাজারে দ্বিগুণ থেকে প্রায় তিনগুণ দামে পেঁয়াজ বিμি না করলে ওই দোকানিদের আর পেঁয়াজ যোগান না দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল একটি চμ। অক্টোবরের শুরু থেকেই আমদানিকারকের বেঁধে দেয়া দামে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হওয়ার কথা বলছিলেন খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। এরপর বিভিনড়ব সরকারি সংস্থার তালিকা ধরে চট্টগ্রামে কয়েকজন আমদানিকারকের খোঁজ করলেও তারা চলতি বছর কোনো পেঁয়াজ আমদানি করেনি বলে জানতে পারে জেলা প্রশাসন। প্রায় এক মাস পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি নিয়ন্ত্রণকারী কক্সবাজারভিত্তিক আমদানিকারকদের চিহ্নিত করল।

ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ শুরু হচ্ছে

ছে অবহিতকরণ এবং সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ কার্যμমের সার্বিক সাফল্য কামনা করে বলেন, আমি আশা করব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর কর্মীরা নতুন উদ্যমে সাহস, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপেড়বর ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন। বুধবার সপ্তাহের প্রম দিন নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মালটিপারপাস কমপ্লেক্স থেকে সকাল সাড়ে ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোঃ শহিদুজ্জামান উপস্থিত থাকবেন। আগামী ১২ নভেম্বর সন্ধ্যায় পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মালটিপারপাস কমপ্লেক্সে সমাপনী অনুষ্ঠানের পর ফায়ার কনসার্টের মাধ্যমে সপ্তাহ পালনের কার্যক্রম সম্পনড়ব হবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।